সোমবার, ২১ জুন ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ আষাঢ় ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

সিলেটসহ দেশে ২ হাজার ইউপি নির্বাচন জুনে



ডেইলি ফেঞ্চুগঞ্জ ডটকম : আগামী জুলাইয়ে শেষ হচ্ছে দুই হাজারের বেশি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) মেয়াদ। নিয়মানুযায়ী, পূর্ববর্তী নির্বাচনের ১৮০ দিনের মধ্যে ভোট সম্পন্ন করার বিধান রয়েছে। সে হিসেবে আসন্ন কোরবানির ঈদের আগেই সিলেটসহ এসব ইউপিতে নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত রয়েছে নির্বাচন কমিশনের (ইসি)।

তবে মেয়াদ পার হতে যাওয়া সবগুলো ইউপির ভোট একসঙ্গে গ্রহণ করা হবে না। নির্বাচনের তফসিল আগেই ঘোষণা করা হয়েছে। ঐ ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী জুনে প্রথম ধাপের ভোট এবং বাকিগুলো আরো দুটি ধাপে জুলাইয়ের মধ্যে শেষ করবে নির্বাচন আয়োজনকারী সংস্থাটি।

ইসি সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়- ইসির কমিশন সভায় এনিয়ে বেশ কয়েক দফা আলোচনা হয়েছে। করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়তে থাকে। যে কারণে ভোটের তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। তবে আগামী ২ জুন ভোটের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করে ইসি থেকে জানিয়ে দেয়া হতে পারে। তফসিল ঘোষিত ইউপিতে নতুন করে আর তফসিল দেয়া হবে না। এগুলোতে যে অবস্থায় নির্বাচন স্থগিত রাখা হয়েছিল সে অবস্থাতেই ফের প্রচারণা শুরু হবে। প্রচারণা শুরুর ১০ দিন পর ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

স্থানীয় সরকারের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচনের হিসাব পরিষদের মেয়াদের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন পূর্ববর্তী নির্বাচনের সঙ্গে সম্পর্কিত। নির্বাচন বিষয়ে আইনের ২৯ (৩) ধারায় বলা আছে- ‘পরিষদ গঠনের জন্য কোনো সাধারণ নির্বাচন ওই পরিষদের জন্য অনুষ্ঠিত পূর্ববর্তী সাধারণ নির্বাচনের তারিখ হতে ৫ (পাঁচ) বছর পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।’

অর্থাৎ বর্তমান পরিষদের নির্বাচন যে তারিখে হয়েছে, তা হতে ৫ বছর পূর্ণ হওয়ার ১৮০ দিনের মধ্যে নতুন ভোট হতে হবে। এ হিসেবে তফসিল ঘোষিত ৩৭১টি ইউনিয়ন পরিষদ ছাড়াও দেশের অর্ধেকেরও বেশি ইউপির ভোটের সময় ইতোমধ্যে পার হয়ে গেছে।

জানা গেছে- ২০১৬ সালের ২২ মার্চ প্রথম দফায় ৭২৫টি, ৩১ মার্চ ৬৪৪টি, ২ এপ্রিল ৬১৫টি, ৭ মে ৭০৩টি, ২৮ মে ৭১৮টি এবং ৪ জুন ৬৯৯টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এ হিসেবে বেশিরভাগ ইউপির নির্বাচন অনুষ্ঠানের সময় পার হয়ে গেছে। তাই স্থনীয় সরকারের এ প্রতিষ্ঠানগুলোতে অতিদ্রুতই ভোট সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিচ্ছে কমিশন।

সূত্রঃ মানবকন্ঠ

সংবাদটি শেয়ার করুন