সোমবার, ২১ জুন ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ আষাঢ় ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দক্ষিণ সুরমা ইজতেমা



টিপু সুলতানঃ দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোল্লারগাঁও ইউনিয়নের সিলেট-সুনামগঞ্জ বাইপাস সড়ক সংলগ্ন লতিপুর-খিদিরপুর এলাকার মাঠে আয়োজিত তাবলীগ জামাতের সর্ববৃহৎ আয়োজন সিলেট জেলা ইজতেমা শেষ হয়েছে। মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনায় আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে চলতি বছরের ইজতেমার সমাপ্তি টানা হয়।

শনিবার আখেরি মোনাজাতে দেশ বিদেশের প্রায় ১২ লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা শরীক হন। সকাল সাড়ে ১১টা থেকে ১২টা ১০মিনিট পর্যন্ত আখেরি মোনাজাত চলে। মোনাজাতে আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ কামনা করা হয়। এসময় মুসল্লিদের আমিন আমিন ধ্বনিতে ইজতেমা ময়দান মুখরিত হয়ে ওঠে।

মোনাজাতে অংশ নিতে ভোর থেকেই ঠান্ডা উপেক্ষা করে লাখো মুসল্লি হেঁটে, বিভিন্ন যানবাহনে চড়ে ইজতেমাস্থলে সমবেত হন। বেলা বাড়ার সাথে সাথে পুরো এলাকা কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। ইজতেমা স্থলে পৌঁছাতে না পেরে অনেক মুসল্লি বাইপাস সড়ক, আশেপাশের রাস্তা ও গ্রামে অবস্থান নেন। এছাড়া বিপুলসংখ্যক নারী মুসল্লিও মোনাজাতে অংশ নিতে ইজতেমার আশপাশের বিভিন্ন স্থানে সকাল থেকেই অবস্থান নেন।

টঙ্গির তুরাগ নদীর তীরে বিশ্ব ইজতেমায় মুসল্লীদের উপস্থিতি বেশি হওয়ায় এবার ৩২ জেলার অংশগ্রহণে তুরাগ তীরে ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া বাকি ৩২ জেলায় জেলাভিত্তিক ইজতেমা পালন করবে। এরই ধারাবাহিকতায় সিলেটের দক্ষিন সুরমায় তিন দিনব্যাপী ইজতেমা শুরু হয়।

গত বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর আম বয়ানের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ সুরমার লতিপুর-খিদিরপুর এলাকার মাঠে অনুষ্ঠিত এই ইজতেমায় নিজেদের আত্মশুদ্ধি এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি কয়েক লক্ষ মুসল্লির সমাগম ঘটে। শুধু তাই নয়; ইজতেমার ময়দানে জুমার নামাজ আদায় করতেও জনতার স্রোত মিশেছিল সেখানে।

ইজতেমায় তাওহীদ, রিসালাত, দাওয়াত, সালাত, জিকিরসহ ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে বয়ান হয়। তিনদিন ধরে মুসল্লিরা ইজতেমা ময়দানে অবস্থান করে এসব বয়ান শোনেন। ইজতেমা শেষে মুসল্লিরা বিভিন্ন গন্তব্যে যাবেন। সেখানে তাঁরা ইসলামের দাওয়াত দেবেন।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন