শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ বৈশাখ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ভোজনরসিক হিসেবে বাঙালির খুব সুনাম…



সবুজ কর :: ভোজনরসিক হিসেবে বাঙালির খুব সুনাম রয়েছে। বাঙালির খাওয়া-দাওয়ায় মিষ্টি এবং দই ছাড়া ভাবতেই পারেনা। বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাথে স্থান ভেদে অনেক ধরনের জনপ্রিয় মিষ্টি রয়েছে। এরমধ্যে দেশের শ্রেষ্ঠত্ব ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে সিলেটে অবস্থানরত কিছু মিষ্টির দোকান। যেমনঃ বনফুল, পিজা, রাজমহল, রিফাত এন্ড কোং, মধুবন, ফুলকলি, মোহনলাল, সহ আরো অনেক।
তাদের মধ্যে অন্যতম তৈরি মিষ্টি হিসেবে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছে রাজনগর থানার অন্তর্গত খেয়াঘাট বাজার চৌমুহনীতে অবস্থানরত “স্বাগত মিষ্টি ঘর”। পবিত্র রমজান মাস আসলেই যেন তাদের দোকানে জনপ্রিয়তা জানান দেয়।
সরেজমিনে দেখা যায় সকাল থেকে বিকাল মানুষের ভিড় লেগেই থাকে ”স্বাগত মিষ্টি ঘর” নামক দোকানে। খবর পেয়ে “স্বাগত মিষ্টি ঘর” পরিদর্শনে দেখা যায় দোকানের আসল চিত্র। খেয়াঘাট রাস্তার চৌমুহনীতে দীর্ঘ লাইন। মিষ্টি বিক্রেতা যেমন হিমশিম খাচ্ছেন তেমনি ক্রেতা সাধারণতও মিষ্টি কিনতে অপেক্ষার প্রহর গুনছেন। হঠাৎ একজনের সাথে কথা হয়, তিনি আমেরিকার পুলিশ অফিসার-বাঙালি প্রবাসী বদরুল ইসলাম।
আমেরিকার পুলিশ অফিসার-বাঙালি প্রবাসী বদরুল ইসলাম বলেন, দেশে আসার আগে শুনেছি এই দোকানের মিষ্টির সুনাম। সাথে উৎকৃষ্ট মানের ভালো এবং সুস্বাদু তাই এবার দেশে এসে দোকানের মিষ্টি পরখ করলাম। সাথে আরেকটা জিনিস উপলব্ধি করলাম যে, মিষ্টির দোকানে এত মানুষের ভিড় আগে কখনো কোথাও দেখিনি।
এই বিষয়ে কবি কালাম আজাদ বলেন- বর্তমান সময়ে বাঙ্গালীদের মিষ্টি ছাড়া কি কোন নিমন্ত্রণ সম্পন্ন হয়। যেমন মিষ্টি হলো চিনির রসে ভেজানো ময়দার গোলা কিংবা দুধ-চিনি মিশিয়ে তৈরি বিভিন্ন আকৃতির ছানার টুকরা করা খাবার। এসব খেয়ে আমরা হয়েছি বয়সে ভার।
এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের মালিক বাবু মানিক দাস বলেন, আমরা খাবারের গুণগত মান ঠিক রেখে মিষ্টি তৈরি করি। এতে জেনেশুনে স্থানীয় জনগণ ছাড়াও দূরদূরান্ত থেকে আমাদের দোকানে মিষ্টি কিনতে আসেন। আমরা চেষ্টা করি যাতে আরো ভালো মিষ্টি কিভাবে তৈরি করা যায় এবং মিষ্টির গুণগত মান সর্বোচ্চ পর্যায়ে রাখতে। রমজান মাসের সিলেটীদের মিষ্টি কেনার হিড়িক পড়ে যায়। সিলেটি মানেই মিষ্টি প্রিয়। দোকানের ঠিকানাঃ স্বাগত মিষ্টি ঘর কুশিয়ারা নদীর দক্ষিণ পাড়, খেয়া ঘাট বাজার চৌমুহনী, রাজনগর, মৌলভিবাজার।
সংবাদটি শেয়ার করুন