শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ আশ্বিন ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

 

বালগঞ্জে মৎস্য চাষে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন আজম আলী



বালাগঞ্জ প্রতিনিধি : বালাগঞ্জ উপজেলার বোয়ালজুড় ইউনিয়নের মোবারকপুর গ্রামের মো. আজম আলী মাছের গুণগত পোনা উৎপাদন করে সাফল্যের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। আজম আলী উপজেলার মৎস্য চাষিদের প্রেরণা যোগাচ্ছেন। তার মৎস্য খামারে অনেককে কর্মসংস্থানেরও সুযোগ করে দিয়েছেন।

গতবছর সিলেট জেলার মধ্যে গুণগত মাছের পোনা উৎপাদানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২১ উপলক্ষ্যে মৎস্য অধিদপ্তর আজম আলীকে সম্মাননা দিয়েছেন। মৎস্য সপ্তাহ শেষে সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলামের হাত থেকে সম্মাননা ও সনদ গ্রহণ করেন তিনি।

এছাড়া, মাছের পোনা নার্সারার হিসেবে সফলতায়-২০১৯ সালে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষ্যে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে সম্মাননা অর্জন করেন এই সফল এই উদ্যোক্তা।

জানা গেছে, আজম আলীর ৪ ভাইর মধ্যে ২ ভাই যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমালেও তিনি প্রবাসমুখী না হয়ে শখের বসে মাছ চাষে ঝুঁকে পড়েন। ২০০৪ সালে নিজের মাত্র ১৮ শতক জায়গায় প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করে পোনা উৎপাদন শুরু করেন। তবে, শুরুটা তার ভালো যায়নি। ওই বছরে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় সব কিছু উলট-পালট করে দেয়। বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হন তিনি। এরপরও হাল ছাড়েননি। আবারও বিনিয়োগ করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা। এরপর ধীরে-ধীরে সফলতার মুখ দেখতে থাকেন তিনি।

চার ছেলে ও এক মেয়ের জনক আজম আলী (৫৮) জানালেন- বর্তমানে ৭০ শতক জায়গার মধ্যে গড়ে তুলেছেন মেসার্স আলী মৎস খামার। উৎপাদিত পোনা স্থানীয় খামারীদের কাছে স্বল্পমূল্যে বিক্রি করেন। উপজেলা মৎস অফিসের পরামর্শ এবং সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে মিশ্র জাতের এই পোনা উৎপাদন ও মাছ চাষে বাৎসরিক প্রায় ৫-৬ লক্ষ টাকা আয় হচ্ছে তার।

সংবাদটি শেয়ার করুন