সোমবার, ২১ জুন ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ আষাঢ় ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

গভীর রাতের প্রজ্ঞাপনে জেলা পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের সাধারন সদস্যদের নির্বাচন স্থগিত



টিপু সুলতানঃ নির্বাচনের দিনেই সিলেট জেলা পরিষদ এর ৩নং ওয়ার্ডের সদস্যদের ভোট গ্রহন স্থগিত। হতবাক সাধারন জনগন, বিপাকে সদস্য প্রার্থীরা ; হতাশা-ক্ষোভ প্রার্থীদের।

গভীর রাতে নির্বাচন কমিশনের জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে নির্বাচন স্থগিত যা জনমনে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। জেলা পরিষদ নির্বাচনে যদিও সাধারন জনগন ভোটাধিকার প্রাপ্ত নয়, তবুও উৎসব মুখর পরিবেশে সকাল থেকে নির্ধারিত ফেঞ্চুগঞ্জ কাসিম আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে সাধারন জনগনের উপচেপড়া ভীড় ছিলো। কিন্তু বাধ সাধে নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা। লক্ষনীয় যে, সদস্য প্রার্থী আতিকুর রহমান মিটুর দায়ের করা রিট মামলায় (১৫৫৫৫/২০১৬) অন্তবর্তীকালীন আদেশ লাভ করেছেন। এব্যাপারে নির্বাচন কমিশন সিএমপি দায়ের করলে যার প্রেক্ষিতে আপিল বিভাগ রিট শুনানীর তারিখ আগামী ৫ জানুয়ারী নির্ধারিত করেছে।

শুনানীর আগ পর্যন্ত ভোট গ্রহণের স্থগিতাদেশ বলবৎ থাকবে। নির্বাচন কমিশনের এমন সিদ্ধান্ত হতাশা, ক্ষোভ এবং সন্দেহের জন্ম দিয়েছে সাধারন জনগনের মনে।

নির্বাচন কেন্দ্র পরিদর্শনে আসা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাক্তি বলেন, ফেঞ্চুগঞ্জ এ জেলা পরিষদ নির্বাচনের আবহ নতুন করে স্বপ্ন দেখাতে শুরু করেছিলো, কিন্তু নির্বাচন কমিশনের স্থগিতাদেশ তা ম্লান করে দিলো। উপস্থিত অনেকের মুখে শুনা গেছে, একটি বিশেষ মহলের সক্রিয়তায় এই নির্বাচন বন্ধ হলো। সাধারন সদস্যদের নির্বাচন স্থগিত হলেও, প্রত্যেক সদস্যরা ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে এসেছিলেন।সবার চোখে মুখে হতাশার ছায়া ছিল।

সদস্য প্রার্থী যমুনা টিভির সিলেট প্রতিনিধি ফয়সাল আহমেদ মুন্না জানান, প্রচারনা সম্পন্ন করে সুষ্ঠ নির্বাচনের মাধ্যমে সুন্দর ফলাফলের জন্য অপেক্ষায় ছিলাম।কিন্তু, স্থগিতাদেশ আমাকে হতাশ করেছে। তবে আশাকরি খুব তাড়াতাড়ি জটিলতা নিরসন দূর হবে।

আরেক প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, গভীর রাতে নির্বাচন কমিশনের অদূরদর্শী সিদ্ধান্তে আমি মর্মাহত। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন অচিরেই সকল সমস্যা সমাধানের পথ খোজে পাবে এবং ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় সকল স্থগিতকৃত নির্বাচন অনুষ্টিত হবে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন যাবত ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় সবধরনের নির্বাচন বন্ধ রয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন