মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

নৈসর্গিক জগতের অপরুপ মাধুর্যের অধিকারী ফেঞ্চুগঞ্জের ঘিলাছড়া



এমরান আহমেদ : হাকালুকির তীরে প্রকৃতির মোহনীয় রুপ। পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ঘিলাছড়া। মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সুশোভিত ঘিলাছড়া পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনার হাতছানী দিচ্ছে। দেশের বৃহত্তম হাকালুকি হাওরকে ঘিরে প্রকৃতি যেন তার অকৃপন হাতে এই এলাকাটিকে সাজিয়ে রেখেছে ব্যাতিক্রমী এক এক সি বীচ বা সমুদ্র তীরের ন্যায়। সমুদ্র তীরে ধূ ধূ বালির ঝিলিক থাকলেও ঘিলাছড়ায় রয়েছে বটবৃক্ষের ছায়াঘেরা এক মায়াবী পরিবেশ।

ঘিলাছড়া ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ৩ নম্বর ইউনিয়ন। গ্রামের মেঠো পথগুলোর বেশীর ভাগই পাকা। এখানে আছে সবুঝে আচ্ছাদিত নানা ছন্দের টিলা সমৃদ্ধ মনিপুর, মৌরাপুর, ঢালুছড়া এবং মোমিনছড়া নামের ৪টি চা বাগান। চা বাগানগুলোর উচু নিচু ঢেউ খেলানো সবুজায়ন ঘিলাছড়াকে করে তুলেছে নৈসর্গিক জগতের অপরুপ মাধুর্যের অধিকারী।

হাকালুকি হাওরের এই তীর দিয়েই আন্ত উপজেলা সড়ক ছাড়াও বৃটিশ আমলে স্থাপিত বাংলাদেশ রেলওয়ের আন্তঃনগর ও লোকাল ট্রেনগুলো ঝক ঝক শব্দে প্রতিদিন ছুটে চলে। এখানকার অনেক টিলাভুমি যেগুলো দৃশ্যত মনে হয় পাহাড় আর হাওর যেন এক সাথে মিশে আছে। এই এলাকাটি বাংলাদেশ চলচ্ছিত্রে নিমিত বিভিন্ন ছবির উল্লেখযোগ্য চিত্র ধারন করতে শুটিং স্পটের মনোরম লোকেশন হিসেবে ছবির প্রযোজক পরিচালকদেরকেও দারুনভাবে আকৃস্ট করবে।

এছাড়াও রয়েছে ঘিলাছড়ায় টুরিস্ট স্পট মিনি কক্সবাজার খ্যাত জিরোপয়েন্ট, এখানে বর্ষার মৌসুমে হাজারো দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে জিরোপয়েন্ট। বিভিন্ন জেলা উপজেলা থেকে পরিবার-পরিজন বন্ধু বান্ধব নিয়ে হাকালুকির হাওরে ঘুরে-ফিরে আনন্দ উপভোগ করেছেন নানা বয়সের মানুষ।

ঘিলাছড়ায় ঘুরতে আসা অনেক পর্যটকরা জানান- ‘এখানকার পরিবেশ-প্রকৃতি এবং রূপলাবণ্যতা পর্যটকদের প্রতিনিয়ত মুগ্ধ করে। এই মুগ্ধতাই তাদেরকে এখানে বার বার নিয়ে আসে।

সংবাদটি শেয়ার করুন