সোমবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২১ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ মাঘ ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

এমসি কলেজে ধর্ষণ মামলার এজাহারভূক্ত আসামী তারেক গ্রেপ্তার



ডেইলি ফেঞ্চুগঞ্জ ডটকম :: সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে তরুণী ধর্ষণ মামলার এজাহারভূক্ত আসামি তারেকুল ইসলাম তারেককে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সামিউল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তারেককে সিলেট নিয়ে আসছে বলেও জানান তিনি।

তারেককে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে এই মামলার এজাহারভূক্ত সব আসামিকেই গ্রেপ্তার করা হলো। এছাড়া এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আইনুল ও রাজন নামে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।

এই মামলার অন্য আসমিদের মধ্যে সোমবার রাত ১১ টায় জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুর থেকে এই মামলার আসামি মাহফুজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে কানাইঘাট থানা পুলিশ। এরআগে রোববার সকালে ছাতক থেকে মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমান ও মাধবুপর থেকে অর্জুন লস্করকে গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার রাতে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ থেকে রবিউল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।

একই রাতে হবিগঞ্জ সদর থেকে মামলার এজাহারভূক্ত আসামি শাহ মাহবুবুর রহমান রনিকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। ওই রাতেই সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ থেকে এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মো. আইনুদ্দিন ও মো. রাজনকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৯। এজাহারে নাম না থাকলেও এই ঘটনার পর থেকে আইনুদ্দিন ও রাজনের নাম উচ্চারিত হচ্ছে। গ্রেপ্তার হওয়া অন্য আসামিরাও এ ঘটনায় আইনুদ্দিন ও রাজন জড়িত বলে জানিয়েছে।

গ্রেপ্তার হওয়া সকলেই ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বলে জানা গেছে।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন এক তরুণী। রাত সাড়ে ৮টার দিকে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

এ ঘটনায় তরুণীর স্বামীর দায়ের করা মামলায় আসামিরা হলেন- সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার উমেদনগরের রফিকুল ইসলামের ছেলে তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮), হবিগঞ্জ সদরের বাগুনীপাড়ার মো. জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে শাহ মো. মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), জকিগঞ্জের আটগ্রামের কানু লস্করের ছেলে অর্জুন লস্কর (২৫), দিরাই উপজেলার বড়নগদীপুর (জগদল) গ্রামের রবিউল ইসলাম (২৫) ও কানাইঘাটের গাছবাড়ি গ্রামের মাহফুজুর রহমান মাসুমকে (২৫)। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও তিনজনকে আসামি করা হয়।

সূত্রঃ ডেইলি সিলেট ডটকম

সংবাদটি শেয়ার করুন